
শোনা
লালনগীতি (Lalon Geeti): লালন ফকিরের সাতটি গান, কথা আর মানে
লালন ফকিরের সাতটি গান, এই পাতা থেকেই শুনতে পারবেন। প্রতিটার গোড়ার কথা, সহজ বাংলায় তার মানে, আর কেন জাতের গান আর অচিন পাখির গান আসলে একই কথা বলে।
এই লেখায় (৪)
একটা চেয়ার। তাতে লাঠিতে ভর দিয়ে ঝুঁকে বসা এক বুড়ো মানুষ, দাড়ি বুক অবধি। লালনের জীবদ্দশায় আঁকা ছবি এই একটাই। ১৮৮৯ সালে পদ্মার বুকে বোটে বসে এঁকেছিলেন জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর, লালনের মৃত্যুর বছরখানেক আগে। আঁচড়গুলো সাদামাটা, প্রায় অযত্নের। গানগুলো কিন্তু একটুও অযত্নের নয়। ছবির মানুষটির জন্মসাল, গ্রাম, এমনকি ধর্ম নিয়েও তর্ক আজও মেটেনি, অথচ তাঁর গান আজও গাওয়া হয়, প্রতি অক্টোবরে ছেউড়িয়ার আখড়ায়, আর তার বাইরে বহু দূর অবধি।
তার মধ্যে সাতটা রইল এখানে। প্রতিটা গান এই পাতা থেকেই চালাতে পারবেন, আর প্রতিটা যে লালনের, তা বলছে তাঁর গানের ছাপা সংকলন আর তথ্যসূত্র। আরও কয়েকটা রেকর্ডিংকে লালনের বলা হয়েছে শুধু আপলোডে, তাই সেগুলো এই তালিকায় নেই। প্রতিটা গানের গোড়ার কথা থাকল, সঙ্গে আমাদের পাঠ: গানটা আসলে কী বলছে।
লালন কে ছিলেন?
লালন ছিলেন বাউল। মন্দির-মসজিদের বাইরে যাঁদের সাধনা, বাংলার পথেঘাটে ঘোরা সেই গায়কদের মধ্যে লালনকেই ধরা হয় সবচেয়ে বড় নাম বলে। কুষ্টিয়া রেলস্টেশন থেকে কিলোমিটার দুয়েক দূরে ছেউড়িয়ার যে আখড়ায় তিনি শিষ্যদের নিয়ে থাকতেন, সেখানেই ১৭ অক্টোবর ১৮৯০-এ তাঁর মৃত্যু। তার আগের প্রায় সবটাই কুয়াশায় ঢাকা। বাংলা উইকিপিডিয়া তাঁর জন্মস্থান হিসেবে তিনটে আলাদা গ্রামের নাম লিখেছে, ধর্ম নিয়ে গবেষকদের মতভেদের কথাও জানিয়েছে। উত্তর দিতে পারতেন একজনই। লালন নিজে এ নিয়ে কিছু বলে যাননি।
গানও লিখে রাখেননি। তিনি গাইতেন, শিষ্যরা শুনে শুনে মনে রাখতেন, অনেক পরে কেউ খাতায় তুলতেন, আর সেই জন্যই এক গায়কের গলা থেকে আরেক গায়কের গলায় যেতে যেতে একই গানের একটা-দুটো শব্দ আজও বদলে যায়। নীচে যে কথাগুলো তুলেছি, সেগুলো একটাই ছাপা সংস্করণ থেকে নেওয়া: মতিলাল দাশ আর পীযূষকান্তি মহাপাত্রের সম্পাদনায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘লালন-গীতিকা’, ১৯৫৮। লালন মারা গিয়েছেন একশো বছরেরও আগে, তাঁর কথা এখন সকলের। রেকর্ডিংগুলো অবশ্য যে যে সংস্থা করেছে, তাদের।
লালনের সাতটা গান, আর তাদের কথা
১. খাঁচার ভিতর অচিন পাখি
‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখী কেমনে আসে যায় / ধরতে পারলে মন-বেড়ী দিতাম তাহার পায়॥’ ‘লালন-গীতিকা’য় গানটার নম্বর ২৯৯।
খাঁচা মানে দেহ। লালন সেটা আঁকেন বাড়ির নকশার মতো: আট কুঠুরি, নয় দরজা আঁটা, মাঝে মাঝে ঝরোকা কাটা, ওপরে সদর কোঠা, সেখানে আয়নামহল। পাখি সেই জন, যে ওই ঘরগুলোর ভেতরেই থাকে অথচ কোনও দিন ধরা দেয় না। তাকে আত্মা বলুন বা মন, লালন শুধু বলেন অচিন। তারপর আসে সেই লাইন, যেখানে গানটা হঠাৎ ঠান্ডা হয়ে যায়: ‘খাঁচা যে তোর তৈরী কাঁচা বাঁশে’। কাঁচা বাঁশ বেশি দিন টেকে না, কোনও একদিন খাঁচাটা খসে পড়বেই, আর সেদিন ভেতরের পাখি কোথায় উড়ে যাবে, সেই প্রশ্নটা গায়কের গলায় ঝুলতে থাকে। লালন উত্তর দেন না।
এক উপন্যাসের প্রথম অধ্যায়ে যে লালনের গান ঢুকে পড়েছে, সেটাও এটাই। রবীন্দ্রনাথের ‘গোরা’ বই হয়ে বেরোয় ১৯১০-এ, আর তার প্রথম অধ্যায় খোলে কলকাতায়, শ্রাবণের এক সকালে, মেঘ কেটে গিয়ে আকাশ যখন রোদে ভরে গিয়েছে। পাতাখানেক পেরোতেই আলখাল্লা-পরা এক বাউল দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে এই গান ধরে। দোতলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে বিনয়ের ইচ্ছে হয় লোকটাকে ডেকে গানটা লিখে নেয়, কিন্তু আলস্যে আর ডাকা হয়ে ওঠে না, অচেনা পাখির সুরটা শুধু তার মাথায় গুনগুন করতে থাকে। যিনি একবার এ গান শুনেছেন, বিনয়ের ওই অবস্থাটা তিনি চেনেন।
৪:১১খাঁচার ভিতর অচিন পাখি
Zee Music Bangla
২০২৩-এ জি মিউজিক বাংলার জন্য গেয়েছেন স্নিগ্ধজিৎ ভৌমিক, রেকর্ডিংয়ে নাম আছে বরেণ্য সাহারও। চার মিনিটের একটু বেশি, কোনও তাড়া নেই, আখড়ায় যেভাবে গাওয়া হয় তার কাছাকাছি। এ পাতায় একটাই গান শুনলে, এটাই শুনুন।
২. সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে
‘সব লোকে কয়, লালন কি জাত সংসারে। / লালন বলে, জাতির কি রূপ, দেখলাম না এই নজরে॥’ ‘লালন-গীতিকা’য় ৫৪ নম্বর।
সারা জীবন লোকে লালনকে এই একটা কথাই জিজ্ঞেস করেছে। উত্তর না দিয়ে তিনি প্রশ্নটাকেই উল্টে জেরা শুরু করেন। কারও গলায় মালা, কারও গলায় তসবি, আর লোকে বলে সেই জন্যই জাত আলাদা। কিন্তু ‘যাওয়া কিম্বা আসার বেলায় / জাতের চিহ্ন রয় কারে’? জন্মানোর মুহূর্তে বা মরার সময় কার গায়ে জাতের দাগ লেগে থাকে? তারপর গানের সবচেয়ে ধারালো জায়গা। ‘ছুন্নৎ দিলে হয় মুসলমান / নারীর তবে কি হয় বিধান’? আর বামুনকে চেনা যায় পৈতেয়, বামনীকে চেনা যাবে কী দিয়ে? মেয়েদের ছুন্নত হয় না, গলায় পৈতেও ওঠে না। যে চিহ্ন নিয়ে এত গর্ব, দুই ধর্মেই সেটা গোড়া থেকে অর্ধেক মানুষকে চেনাতে পারে না। শেষে লালন বলেন, জাতের ফাতনা তিনি সাধের বাজারে ডুবিয়ে দিয়েছেন।
৪:৪৫সব লোকে কয় লালন
Aalo | আলো 🪔
২০২২-এ আলো-র জন্য গেয়েছেন অরিত্র দাশগুপ্ত, পাঁচ মিনিটের একটু কম। আমাদের সংগ্রহের লালনের গানের মধ্যে ‘আমি অপার হয়ে’র পরেই সবচেয়ে বেশি দেখা: সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ইউটিউবে ৪৩ লক্ষ বার।
৩. জাত গেল জাত গেল বলে
নামের লাইনটাতেই গোটা ঠাট্টা: জাত গেল, জাত গেল বলে লোকের হাহাকার। ইংরেজি উইকিপিডিয়া লিখছে, লালনের বহু গান মানুষে মানুষে ভাগ করা পরিচয়ের রাজনীতিকে বিদ্রুপ করে। এ গান সেটা করে মুখ গম্ভীর রেখে, আতঙ্ককে নিজের মুখেই কথা বলতে দিয়ে। ‘সব লোকে কয়’-এর ঠিক পরে চালিয়ে দেখুন, নামের লাইনেই একই তর্ক শুনবেন উল্টো দিক থেকে, ভিড়ের নিজের হাহাকারে।
৫:২৪জাত গেল জাত গেল বলে
Times Music Bangla
২০১৯-এ টাইমস মিউজিক বাংলার জন্য গেয়েছেন সঞ্জয়। সাড়ে পাঁচ মিনিট। এই তালিকায় ঘরসুদ্ধ লোকের গলা মেলানোর সম্ভাবনা এটারই সবচেয়ে বেশি।
৪. মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি
‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি। / মানুষ ছেড়ে ক্ষ্যাপারে তুই মূল হারাবি॥’ ‘লালন-গীতিকা’য় ৩৯১ নম্বর।
আগের তিনটে গান বলে, কী দিয়ে মানুষ চেনা যায় না। এটা বলে, কী দিয়ে যায়। বাউলের কাছে ‘মানুষ’ শব্দটা একসাথে দুই অর্থে চলে, রক্তমাংসের মানুষ আবার পরম মানুষও, আর লালন দুটো অর্থ এমন এক মুঠোয় ধরে রাখেন যে কোথায় একটা ফুরোল আর অন্যটা শুরু হল, আলাদা করে বলা যায় না। বাউলরা যে ‘মনের মানুষ’-এর গান গান, তার পিছনেও এই একই ভাবনা: যাঁকে খুঁজছেন, তিনি মানুষের ভেতরে, মাথার ওপরে কোথাও নন।
৪:০৭মানুষ ভজলে
SVF Music
২০১৭ সালে এসভিএফ মিউজিকের জন্য গেয়েছেন সাহানা বাজপেয়ী। চার মিনিট, আখড়ার গাওয়ার চেয়ে অনেক হালকা চালে, তাই লালন যিনি প্রথম শুনছেন, তাঁর পক্ষে শুরু করার ভালো জায়গা।
৫. বাড়ির কাছে আরশিনগর
‘আমি একদিনও না দেখিলাম তারে। / আমার বাড়ীর কাছে আরশী নগর / (ও) এক পড়শী বসত করে।’ ‘লালন-গীতিকা’য় ১৮ নম্বর। লালনের গানের একটা ইংরেজি অনুবাদের বইয়ের নাম ‘সিটি অফ মিররস’। আরশিনগর কথাটার মানেও তাই।
সেই পড়শীর হাত নেই, পা নেই, কাঁধ নেই, মাথা নেই। এই শূন্যে থাকে, এই জলে ভাসে। গ্রামের চারদিকে অগাধ জল, তার কিনারা নেই, পার হওয়ার একটা নৌকোও নেই, তাই পড়শীকে দেখার সাধ থাকলেও সে গাঁয়ে যাওয়ার কোনও উপায় নেই। শেষ লাইনটাই লোকে গান থেকে বের করে নিয়ে যায়: ‘সে আর লালন একখানে রয়, / তবু লক্ষ যোজন ফাঁক রে’। এক জায়গায় থাকা, তবু লক্ষ যোজনের দূরত্ব। যিনি কখনও এক ছাদের নীচে থেকেও কারও থেকে অনেক দূরে সরে গিয়েছেন, এ লাইনে এসে তাঁর বুকের ভেতরটা একবার মোচড় দেবেই। এই তালিকার সবচেয়ে একলা লাইন এটাই। লালনের প্রেমের গান বলতে যদি কিছু থাকে, তবে এই।
৩:০৩বাড়ির কাছে আরশিনগর
SVF
গেয়েছেন পার্বতী বাউল, অপর্ণা সেনের ছবি ‘আরশিনগর’-এর জন্য। এসভিএফ গানটা তুলেছে ২০১৫ সালে। তিন মিনিট। গলায় পথের ধুলো লেগে আছে।
৬. আমি অপার হয়ে বসে আছি
অপার মানে যে পার হতে পারে না। খাঁচার পরে লালনের দ্বিতীয় বড় ছবি নদী, আর তিনি ঘুরেফিরে সেই ঘাটেই ফেরেন: ‘লালন-গীতিকা’য় পরপর দুটো গানে তিনি অপারের কাণ্ডারীকে ডাকছেন, পার করে দেওয়ার আর্জি নিয়ে। নাম শুনে আমাদের পাঠ: এখানে গায়ক জলে নামেননি, পারে বসে অপেক্ষা করছেন। এই তালিকার সবচেয়ে লম্বা গান এটাই। কাজ করতে করতে পিছনে চালিয়ে রাখুন, দেখবেন কখন যেন গানটা নিজেই মনের ভেতর বসে গিয়েছে।
৭:০৫আমি অপার হয়ে
Aalo | আলো 🪔
২০২১-এ আলো-র জন্য গেয়েছেন পৌষালী বন্দ্যোপাধ্যায়। সাত মিনিট। আমাদের সংগ্রহে লালনের সবচেয়ে বেশি দেখা গান: সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ইউটিউবে ৬১ লক্ষ বার।
৭. মিলন হবে কত দিনে
আর কত দিন? নামের প্রশ্নটাই ওপরের সব গানের তলায় চাপা প্রশ্ন: যাঁকে খুঁজছি, তাঁর সাথে দেখা হবে কবে। ইংরেজি আর বাংলা, দুই উইকিপিডিয়াই গানটাকে লালনের সবচেয়ে চেনা গানগুলোর তালিকায় রেখেছে। আমরা গানটা রাখলাম সবার শেষে, কারণ এ গান কোনও কিছুর মীমাংসা করে না, খাঁচা থেকে আরশিনগর পর্যন্ত যত প্রশ্ন উঠল তার একটারও উত্তর দেয় না, শুধু আরও একবার জিজ্ঞেস করে। লালন বেশির ভাগ কথা এভাবেই শেষ করেন।
৩:৩৮মিলন হবে কত দিনে
Asha Audio
আবার পৌষালী বন্দ্যোপাধ্যায়, এবার আশা অডিওর ২০২৩-এর রেকর্ডিং। সাড়ে তিন মিনিট।
জাতের গান আর অচিন পাখির গান কেন একই কথা
লালনকে প্রায়ই দু’ভাগে ভাগ করে শোনা হয়। একদিকে জাতপাত নিয়ে হাসা সমাজসংস্কারক, অন্যদিকে পাখি আর আয়নার গান গাওয়া সাধক, যেন একই নামে দুজন আলাদা মানুষ গান বেঁধে গিয়েছেন। এই সাতটা গান এই ক্রমে শুনলে ভাগটা টেকে না। দু’নম্বর গানের পৈতে আর এক নম্বর গানের খাঁচা একই জিনিস: বাইরেটা, যাকে লোকে ভেতর বলে ভুল করে। পৈতে, তসবি, কাঁচা বাঁশ, দেহ, আসা-যাওয়ার বেলায় সবই খসে পড়ে। বাকি থাকে অচিন পাখি, আরশিনগরের পড়শী, মানুষ। জাতের বিরুদ্ধে লালনের কথা তাঁর সাধনার পাশে জুড়ে দেওয়া আলাদা কোনও মত নয়। ওটাই তাঁর সাধনা, গ্রামের ভাষায় বলা।
সেই জন্যই ছেউড়িয়ার এক আখড়ার গান এত দূর পৌঁছেছে। ২০০৫-এ ঘোষণার পর ২০০৮ সালে ইউনেস্কো বাউল গানকে তুলে নেয় মানবজাতির অধরা ঐতিহ্যের তালিকায়, আর তার অনেক আগে, ১৯৯২-এ, মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ লিখে ফেলেছিলেন ‘আফটার লালন’ নামে একটা কবিতা। মানুষকে যেখানেই তার পোশাক দেখে ভাগ করা হয়, সেখানেই গায়কের জাত নিয়ে বাঁধা এ গানের মানে আলাদা করে বোঝাতে হয় না।
লালন কীভাবে শুনবেন
- ওপরের ক্রমে একবার পুরোটা, আধঘণ্টার মতো। পরপর শুনবেন বলেই এভাবে সাজিয়েছি।
- হাতে দশ মিনিট থাকলে: ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’, তারপর ‘বাড়ির কাছে আরশিনগর’।
- বাউল গান চলে একতারা আর ছোট্ট ডুগির সাথে। এখানকার রেকর্ডিংয়ে যন্ত্র বেশি। কান পাতলে শুনবেন, সব কিছুর তলায় একতারাটা কোথায় লেগে আছে।
- এক গায়ক থেকে আরেক গায়কে লালনের কথা একটু একটু বদলায়। ওটা রেকর্ডিংয়ের ভুল নয়। কেউ লিখে না রাখলে গান এভাবেই বাঁচে।
সাত নম্বর গান ফুরোলে লোকগীতির মুড বাংলার লোকগান আর ভক্তিগান চালিয়ে যাবে। পাশের ঘরেই সুফি আর কাওয়ালির মুড, যেখানে থাকে লালনের আরেক উত্তরাধিকার। শনিবার, ১৭ অক্টোবর পাড়ায় যখন ষষ্ঠীর ঢাক বাজছে আর প্রথম মণ্ডপের লাইন লম্বা হচ্ছে, তারই ফাঁকে কোথাও একবার ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’ চালিয়ে দিন। দিনটা তাঁর।
তথ্যসূত্র (৭)
- লালন (Lalon), উইকিপিডিয়া (ইংরেজি)। দেখা হয়েছে ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
- লালন, বাংলা উইকিপিডিয়া। দেখা হয়েছে ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
- বাউল (Baul), উইকিপিডিয়া (ইংরেজি)। দেখা হয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
- বাউল গান (Baul songs), ইউনেস্কো, অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। দেখা হয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
- লালন-গীতিকা (১৯৫৮), বাংলা উইকিসংকলন। দেখা হয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
- গোরা, প্রথম অধ্যায়, বাংলা উইকিসংকলন। দেখা হয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
- দুর্গাপুজোর দিনপঞ্জি ২০২৬, কলকাতা, দৃকপঞ্চাঙ্গ। দেখা হয়েছে ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
ছবি: বাংলাদেশের কুষ্টিয়ায়, ছেউড়িয়ার আখড়ায় লালনের সমাধি। ছবি ফেব্রুয়ারি ২০১৪-র।: Zaheed Sarwer Khan, Wikimedia Commons, CC BY 4.0, cropped
সদ্য এসেছেগল্পের চ্যানেলে নতুন কী এলসবে যা উঠেছে, বাজে চ্যানেলের নিজের ইউটিউবেই।গল্পগুলো দেখুনমুড কলকাতাকে ফলো করুন
এমন লেখা, নতুন গল্প আর গান এলেই খবর পাবেন।


