মূল অংশে যান
MoodKolkata

প্রশ্নোত্তর

YouTube-এ না শুনে এখানে কেন শুনব?

মুড কলকাতা একটা বিনামূল্যের ওয়েবসাইট। বাংলা গল্পের চ্যানেল আর গানের লেবেলগুলো প্রায় রোজই YouTube-এ নতুন কিছু আনে। আমরা সেখান থেকে বাঙালি শ্রোতার পছন্দের গল্প আর গান খুঁজে, বেছে, পর পর সাজিয়ে দিই। গল্প আর গান অবশ্য তাঁদেরই, যাঁরা বানিয়েছেন: প্রতিটা বাজে নির্মাতার নিজের YouTube ভিডিও থেকে, YouTube-এর নিজের প্লেয়ারে। তাই ভিউ যোগ হয় তাঁদের চ্যানেলে। আমাদের কাজ খুঁজে দেওয়া আর গুছিয়ে দেওয়া। ভূতের গল্প আর গোয়েন্দা গল্পের আলাদা পাতা আছে, আছে ফেলুদা, ব্যোমকেশ আর তারানাথেরও। প্রতিটা পাতায় সব চ্যানেলের রেকর্ডিং একসাথে। ধারাবাহিক চলে প্রথম পর্ব থেকে শেষ পর্ব অবধি, আর যেখানে থেমেছিলেন সেখান থেকেই আবার শুরু হয়। একটা গল্প শেষ হলে পরেরটাও বাংলা গল্পই, YouTube-এর পাশের তালিকা যেদিকে টানে সেদিকে নয়।

গান এখানে শুনব কেন?

এই মুহূর্তের বাংলা গানটা এখানে রেডিওই বেছে দেয়। কলকাতায় বৃষ্টি নামলে বৃষ্টির গান, ভোরে রবীন্দ্রসঙ্গীত, পুজোয় পুজোর গান। চাইলে বাঙালির চেনা কোনও মুড নিজেই বাছুন, যেমন আড্ডা, বিরহ বা নস্টালজিয়া। লম্বা সংকলনের ভিডিও থেকে গান বাজে একটা একটা করে। যে ভাষাগুলো ভালো লাগে, শুধু সেগুলো রেখে বাকিগুলো বন্ধ করে দিতে পারেন। শোনা বিনামূল্যে, কোনও অ্যাপ নামাতে হয় না।

চ্যানেলগুলো কি ভিউ পায়?

হ্যাঁ। প্রতিটা গান আর গল্প বাজে নির্মাতার নিজের YouTube আপলোড থেকে, YouTube-এরই প্লেয়ারে। তাই প্রতিবার চালালে ভিউটা ওঠে তাঁদের খাতায়, আর YouTube যে বিজ্ঞাপন দেখায় সেটাও তাঁদের। এখানে আমরা নিজেরা কিছুই রাখি না।

সিরিজ ঠিক ক্রমে কীভাবে শুনব?

সিরিজটা খুলে ‘শুরু থেকে · প্রথম পর্ব’ চাপুন, পর্বগুলো একটার পর একটা বাজবে। মাঝের কোনও পর্ব খুললে আগে আসে পর্বের তালিকা, প্রথম পর্ব থেকে। ঠিক আগেরটার পাশে লেখা থাকে ‘আগের পর্ব’।

একটা চরিত্রের সব গল্প এক জায়গায় পাব, যেমন ফেলুদা বা ব্যোমকেশ বক্সী?

হ্যাঁ। ফেলুদা, ব্যোমকেশ বক্সী থেকে শুরু করে আমাদের তালিকার প্রতিটা চরিত্র আর লেখকের নিজের পাতা আছে। সব চ্যানেলের গল্প সেখানে একসাথে। ‘অডিও গল্প’ খুলে চরিত্র বা লেখক বেছে নিন। নয়তো সরাসরি নামটা লিখে খুঁজুন।

হাতে মোটে ২০ মিনিট। কী শুনব?

‘চায়ের সাথে’ বেছে নিন। ওখানে সব গল্পই ২০ মিনিটের কম। দৈর্ঘ্য বাছার এই ঘরগুলো থাকে যেকোনও গল্পের তালিকার ওপরে। বাকি তিনটে ‘এক বসায়’ (২০-৪৫ মিনিট), ‘সন্ধে জুড়ে’ (৪৫-৯০ মিনিট) আর ‘লম্বা পথ’ (৯০ মিনিট বা বেশি)।

গল্প শুনতে শুনতে ঘুমোনো যায়?

হ্যাঁ। মেনু থেকে ঘুমের টাইমার চালু করুন: ১৫, ৩০, ৪৫, ৬০ বা ৯০ মিনিট। সময় হলে গল্প থেমে যায়, তারপর আর কিছু বাজে না। ‘স্ক্রিন চালু’ করে রাখুন। নইলে ফোন লক হয়ে তার আগেই গল্প বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

কলকাতা থেকে অনেক দূরে থাকি। মুড কলকাতা কি আমার জন্যও?

অবশ্যই। আপনি যেখানেই থাকুন, রেডিও বাজে কলকাতার সময় আর আবহাওয়া মেনে। ব্লগ উৎসবের সময় দেখায় আপনার নিজের শহরের ঘড়িতে। লেখাগুলোও পুজো, খাবার আর ঘরের গল্প নিয়ে। সাইট আর ব্লগ, দুটোই বাংলায় আর ইংরেজিতে।

ব্লগে কী নিয়ে লেখা হয়?

মুড কলকাতার ব্লগে আমরা লিখি বাংলার উৎসব, খাবার, নানা জায়গা, বই আর গল্প নিয়ে। লেখা হয় বাংলায় আর ইংরেজিতে, যেকোনও দেশের বাঙালির কথা ভেবে। লেখায় যে গান আর গল্পের কথা থাকে, সেগুলো সেই পাতাতেই বাজানো যায়। সূত্রের নামও থাকে প্রতিটা লেখায়।

মুড কলকাতা কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ। কোনও সাবস্ক্রিপশন নেই, শোনার আগে কোথাও নাম লেখাতেও হয় না। গান আর গল্প বাজে YouTube থেকে, সেখানে YouTube নিজের বিজ্ঞাপন দেখাতে পারে; মুড কলকাতা কোনও বিজ্ঞাপন দেয় না।

গান আর গল্প আসে কোথা থেকে?

নির্মাতাদের নিজেদের YouTube আপলোড থেকে: গানের লেবেল, শিল্পীদের চ্যানেল, আর বাংলা অডিও গল্পের চ্যানেল, যেমন মির্চি বাংলা, মীর আফসার আলি, 221B Harrison Road, Thriller Land, আকাশবাণী কলকাতা। এখানে কিছুই কপি করা বা রাখা হয় না। সবার নাম আছে কৃতজ্ঞতা পাতায়।

ফোনের স্ক্রিন বন্ধ রেখে শোনা যায়?

ওয়েবসাইটের ভেতরে যায় না: ফোন লক হলে YouTube-এর প্লেয়ার থেমে যায়, আর YouTube-এর নিয়মে কোনও সাইট সেটা এড়াতে পারে না। দুটো উপায় আছে। ‘স্ক্রিন চালু’ করে দিন, তাহলে কিছু বাজার সময় ফোন লক হবে না। আর YouTube Premium থাকলে প্লেয়ারে ‘YouTube-এ খুলুন’ চাপুন: YouTube অ্যাপে স্ক্রিন বন্ধ রেখেও শোনা যায়।

ফোনে কীভাবে ইনস্টল করব?

Android-এ মেনু খুলে ‘অ্যাপ ইনস্টল করুন’ চাপুন, অথবা ব্রাউজারের ‘হোম স্ক্রিনে যোগ করুন’ ব্যবহার করুন। iPhone বা iPad-এ Safari-তে সাইটটা খুলে ‘শেয়ার’, তারপর ‘হোম স্ক্রিনে যোগ করুন’। নিজের জানলায় খোলে, কোনও অ্যাপ স্টোর লাগে না।

এখন ঠিক এই মুডটাই বাজছে কেন?

রেডিও দেখে কলকাতায় এখন দিনের কোন সময়, শহরের আবহাওয়া কেমন, আর উৎসবের দিনপঞ্জি। বৃষ্টি হলে বৃষ্টির গান, ভোরে ভোরের গান, গভীর রাতে শান্ত গান আর ভূতের গল্প। নিজে যেকোনও মুড বেছেও নিতে পারেন।

কোন কোন ভাষা আছে?

গান আছে বাংলা, হিন্দি, ইংরেজি, কোরিয়ান আর পাঞ্জাবিতে; অডিও গল্প সবই বাংলায়। ‘আরও’ পাতার ‘গানের ভাষা’ থেকে যেকোনও ভাষা বন্ধ রাখতে পারেন।

অ্যাকাউন্ট লাগবে?

না। সবকিছু অ্যাকাউন্ট ছাড়াই চলে। Google বা ইমেলের লিংক দিয়ে সাইন ইন করলে আপনার তারা দেওয়া গান, প্লেলিস্ট, শোনার ইতিহাস, কোথায় থেমেছিলেন আর সেটিংস, সব ডিভাইসে পৌঁছে যায়।

দুটো ডিভাইসে চালালে কী হয়?

প্রতিটা ডিভাইস নিজের মতো বাজায়। আপনার সংগ্রহ, ইতিহাস আর সেটিংস অ্যাকাউন্টের সঙ্গে থাকে, আর অন্য ডিভাইসে সাইট খুললে যা শুনছিলেন, ঠিক সেখান থেকে চালু করার প্রস্তাব দেয়।

ইতিহাস বা অ্যাকাউন্ট কীভাবে মুছব?

‘আমার’ পাতা থেকে শোনার ইতিহাস মুছুন; সাইন ইন থাকলে সব ডিভাইস আর অ্যাকাউন্ট থেকেও মুছে যায়। অ্যাকাউন্টটাই মুছতে চাইলে গোপনীয়তা পাতার ধাপগুলো দেখুন।

ভুল মুডে গান পেয়েছি, বা কোনও গল্প চলছে না।

[email protected] ঠিকানায় জানান। YouTube থেকে কোনও ভিডিও সরে গেলে আমরা এখান থেকেও সরিয়ে দিই।

Play Store বা App Store-এ অ্যাপ আছে?

না। মুড কলকাতা একটা ওয়েব অ্যাপ: কয়েক সেকেন্ডে ব্রাউজার থেকেই ইনস্টল হয়, নিজে থেকেই আপডেট হয়।

থামানো

হোম স্ক্রিনে MoodKolkata যোগ করুন

  1. ব্রাউজারের বারে শেয়ার-এ চাপুন (উপরে তীর-দেওয়া চৌকো চিহ্ন)।
  2. নীচে নেমে “Add to Home Screen”-এ চাপুন।
  3. “Add”-এ চাপুন। হোম স্ক্রিন থেকে MoodKolkata অ্যাপের মতোই খুলবে।