মূল অংশে যান
MoodKolkata
দক্ষিণ কলকাতার এক পুজোর দুর্গা প্রতিমার মুখ, সাদা শোলার মুকুট, গাঁদার মালা আর আরতির প্রদীপ
দক্ষিণ কলকাতার এক পুজো: শোলার মুকুট, গাঁদার মালা, আরতির আলো

শোনা

দুর্গাপুজোর গান ২০২৬: আগমনী থেকে বিজয়া, পুজোর কোন দিন কোন গান

আগমনী, ঢাকের বাদ্যি, রেকর্ডের যুগের পুজোর গান, সিনেমার গান আর দশমীর বিজয়া: পুজো ২০২৬-এর প্রতিটা দিনের জন্য বেছে রাখা, সবক’টা এই পাতাতেই বাজে।

রাজীব সেনপ্রকাশ হালনাগাদ

এই লেখায় (৮)

পুজোর সবচেয়ে পুরোনো গানে দেবী প্রায় নেই-ই। আছে এক বিবাহিত মেয়ে, বছরে এই ক’টা দিনের জন্য বাপের বাড়ি আসছে, আর তার মা মেনকা, গত দশমী থেকে দিন গুনছেন। আঠারো শতক থেকে বাংলা এই আসা-যাওয়ার গান গেয়ে চলেছে। ২০২৬-এর পুজোর প্লেলিস্টও আসলে সেই গল্প, অষ্টমীর সকালের ঢাক থেকে নবমীর রাতে দেবের সিনেমার গান পর্যন্ত। সেই জন্যই দশমীর শেষ গানটা চালাতে সবচেয়ে কষ্ট হয়।

আগমনী দিয়ে কেন শুরু?

আগমনী গান উমার বাপের বাড়ি আসার গান। উমা মানে পার্বতী, গিরিরাজ হিমালয় আর মেনকার মেয়ে, শিবের ঘরনি। এসব গানে তিনি দুর্গাপুজোর ঠিক আগে বাপের বাড়ি ফেরেন। বাংলা উইকিপিডিয়ার আগমনী গানের পাতা বলছে, এই ধারার প্রথম আর শ্রেষ্ঠ গীতিকার রামপ্রসাদ সেন। কমলাকান্ত ভট্টাচার্যের পাতায় লেখা, শাক্ত কবিদের মধ্যে রামপ্রসাদের পরেই তাঁর নাম, আর আগমনী-বিজয়ার পদে তিনিই সেরা। কমলাকান্তের জন্ম ১৭৭২ সালে। মেয়ের ফেরার সময় হলে আসে বিজয়ার গান: সেই একই পরিবার, এবার মেয়েকে শ্বশুরবাড়ি পাঠানোর দুঃখ।

এ গান টিকে আছে, কারণ দুশ্চিন্তাটা খুব চেনা। মা জানতে চান, ভিখিরি জামাইয়ের ঘরে মেয়ে কেমন আছে। জামাই শিব, ঘরছাড়া সন্ন্যাসী, নিজের বলতে কিছুই নেই। এ গান বুঝতে আর কিছু লাগে না। পুজোয় কারও বাড়ি ফেরার পথ চেয়ে থেকেছেন, এটুকুই যথেষ্ট।

৫:০০

গৌরী এল

Bengali Music Directory | BMD

প্রথম গানটা কলকাতার লোকগানের দল দোহারের। ক্রেডিটে নাম আছে কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্যেরও। পাঁচ মিনিট। পুজোর সপ্তাহটা এখান থেকেই শুরু করুন।

পুজো মুডে আরও

৪:১৫

ও মা কেমন করে হরের ঘরে

Aalo | আলো 🪔

গেয়েছেন অন্বেষা গঙ্গোপাধ্যায়। ‘আলো’ চ্যানেলে গানটার পাশে লেখা ‘প্রচলিত’। নামটাই মেনকার প্রশ্ন, হরের ঘরে কেমন করে ছিলি মা। গোটা আগমনী এই এক লাইনে।

পুজো মুডে আরও

৪:০৯

তুই পাষাণ গিরির মেয়ে

Saregama Bengali

সারেগামা গানটা দিয়েছে কাজী নজরুল ইসলামের নামে। নজরুলও আগমনী লিখেছেন। গেয়েছেন মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়। চার মিনিট।

পুজো মুডে আরও

৪:২১

আইলো উমা বাড়িতে

MONAMI GHOSH

নতুনটা: মোনামী ঘোষের ২০২৩ সালের ভিডিও, সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ইউটিউবে ৩ কোটি ৪০ লাখ বার দেখা।

পুজো মুডে আরও

৩:৩৭

ওগো আমার আগমনী আলো

Saregama Bengali

শিপ্রা বসুর গলায় মহিষাসুরমর্দিনীর গান, কথা বাণীকুমারের, সুর পঙ্কজ মল্লিকের। মহালয়ার ভোরে বাংলা এই গান শুনেই জাগে। প্রথম মণ্ডপে যাওয়ার পথে গাড়িতে এটাই চালান। পুরো সম্প্রচারটা আছে আমাদের মহালয়ার লেখায়।

পুজো মুডে আরও

দুর্গাপুজো ২০২৬: কোন দিন কোন পুজোর গান

দিনগুলো ধরা আছে দৃকপঞ্চাঙ্গের কলকাতার দুর্গাপুজো ক্যালেন্ডার মেনে। এ বছর ষষ্ঠী দু’দিনে ভাগ হয়েছে: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর বিল্ব নিমন্ত্রণ, শনিবার, ১৭ অক্টোবর কল্পারম্ভ আর অকালবোধন। বেলুড় মঠে অবশ্য দুটোই শুক্রবার, ভোরে কল্পারম্ভ আর সন্ধেয় বোধন। ওই ক্যালেন্ডারে ভারতের বেশির ভাগ জায়গায় বিজয়া দশমী পড়েছে মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর। বাংলার বিসর্জন আর সিঁদুর খেলা অবশ্য বুধবার, ২১ অক্টোবর। এই তালিকা বাংলার দিন মেনেই। পাড়ার পুজো গুপ্তপ্রেস বা বেণীমাধব শীলের পঞ্জিকা মানলে সপ্তমী আর অষ্টমী এক দিন করে আগে (সপ্তমী, শনিবার, ১৭ অক্টোবর আর অষ্টমী, রবিবার, ১৮ অক্টোবর)। নবমী আর দশমী নিয়ে এই মতের পুজোগুলোও সবাই একমত নয়, তাই মণ্ডপের নোটিস দেখে নিন।

কলকাতায় দুর্গাপুজো ২০২৬, দিন ধরে ধরে, আর কী বাজাবেন
দিনতারিখকী হয়কী বাজাবেন
মহালয়াশনিবার, ১০ অক্টোবরদেবীপক্ষের শুরু, ভোরে রেডিওতে মহিষাসুরমর্দিনীসম্প্রচারটা আর ‘বাজলো তোমার আলোর বেণু’, দুটোই আমাদের মহালয়ার লেখায়
ষষ্ঠীশুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ও শনিবার, ১৭ অক্টোবরবিল্ব নিমন্ত্রণ, তারপর কল্পারম্ভ আর অকালবোধন, অসময়ে দেবীর ঘুম ভাঙানোআগমনী: ‘গৌরী এল’, ‘আইলো উমা বাড়িতে’
সপ্তমীরবিবার, ১৮ অক্টোবরকলাবউ পুজো: ভোরে নবপত্রিকার স্নান, তারপর বউ সাজানো‘জাগো উমা’, তারপর ‘দুগ্গা এলো’
অষ্টমীসোমবার, ১৯ অক্টোবরসকালে অঞ্জলি, কুমারী পুজো, আর অষ্টমী-নবমীর সন্ধিক্ষণে সন্ধিপুজোঅঞ্জলির আগে ‘রূপং দেহি জয়ং দেহি’, পরে অষ্টমীর ঢাক
নবমীমঙ্গলবার, ২০ অক্টোবরনবমীর হোম, ঠাকুর দেখার শেষ পুরো রাত‘ঢাক বাজা কাঁসর বাজা’, শ্রীভূমির ‘দুলবে কোমর’, ‘এবার যেন অন্যরকম পুজো’
দশমীবুধবার, ২১ অক্টোবরসিঁদুর খেলা, তারপর বিসর্জনদশমীর ঢাক, ‘বিসর্জন’, ‘বছর বছর আসতে হবে’

অঞ্জলি আর সন্ধিপুজোর সময় তালিকায় নেই। দুটোই চলে তিথি মেনে, আর সময় ঠিক করে আপনার পঞ্জিকা কিংবা মণ্ডপের পুরোহিত। দিনের মধ্যে গানের ক্রমটাও নিছকই আমাদের পছন্দ। সপ্তমীতে বিজয়ার গান চালাতে কেউ বারণ করবে না, ঘরের বাকিরা ছাড়া।

রেকর্ডের যুগে ‘পুজোর গান’ মানে কী ছিল?

গত শতকের বেশির ভাগটা জুড়ে বাংলায় পুজো আসত নতুন রেকর্ড নিয়ে। প্রতি বছর পুজোর আগে গ্রামোফোন কোম্পানি অফ ইন্ডিয়া একগুচ্ছ নতুন বাংলা গান বার করত। গানের কথা ছাপা হত একটা পুস্তিকায়, নাম ‘শারদ অর্ঘ্য’। ১৯০৭ থেকে এই কোম্পানি দমদমে রেকর্ড তৈরি করত, আর ১৯০৯ থেকে ২০০৩ পর্যন্ত বেচত এইচএমভি নামে।

অথচ বেশির ভাগ পুজোর গান পুজো নিয়ে ছিলই না।

প্রেমের গান, হাসির গান, আধুনিক গান। পুজো ছিল শুধু বেরোনোর তারিখ। সবচেয়ে স্পষ্ট উদাহরণ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯৪৩ সালে তাঁর হাসির রেকর্ড ‘ঢাকার গাড়োয়ান’ এতটাই চলেছিল যে তারপর থেকে প্রতি দুর্গাপুজোয় তিনি একটা করে নতুন রেকর্ড বার করতেন।

পুজোর যে বিখ্যাত রেকর্ডগুলোয় ঠাকুরের কথা নেই, তার বেশির ভাগ আমাদের সংগ্রহে নেই, তাই এ পাতায় বাজবে না। পুরোনো তাক থেকে আছে একটা পুজোর গান। আর আছে একটা প্রমাণ, অভ্যাসটা আজও থামেনি।

৩:৩৭

ত্রিনয়নী দুর্গা

Saregama Bengali

গেয়েছেন ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য। সারেগামা গানটা রেখেছে তাদের ‘দুর্গা পুজোর গান’ সিরিজে, পর্দায় গানের কথা সমেত। সাড়ে তিন মিনিট।

পুজো মুডে আরও

৩:৩৩

পুজোয় আশা

Asha Audio

২০২৫-এর পুজোয় আশা ভোঁসলের নতুন গান, আশা অডিও থেকে, সুর শিলাদিত্য আর রাজের। ওঁর আরও বাংলা গান পাবেন আশা ভোঁসলের পাতায়।

পুজো মুডে আরও

ঢাকের বাদ্যি কি বাড়িতে বসে শোনা যায়?

ঢাক বাড়িতে বসেও শোনা যায়, আর মণ্ডপ থেকে দূরে থাকলে এই পাতায় এর চেয়ে কাজের জিনিস নেই। আমাদের সংগ্রহে সারেগামার দুটো ঢাকের ট্র্যাক আছে, দুটোর নামই দিনের নামে: অষ্টমীরটা পাঁচ মিনিটের, দশমীরটা দশ মিনিটের। দুটোতেই ঢাকিদের নাম দেওয়া আছে: ফণী নট্ট, জয়দেব নন্দী, মণীন্দ্র দাস আর ব্রজকান্ত নন্দী।

অষ্টমীরটা সকালের। অঞ্জলি সেরে এসে চালান, এত জোরে যে প্রতিবেশীরা একটু চিন্তায় পড়েন। দশমীরটা তুলে রাখুন শেষ সন্ধের জন্য।

৫:০০

রূপং দেহি জয়ং দেহি

Mukta Creation

পণ্ডিত তুষার দত্তের গলায় অর্গলা স্তোত্র, চণ্ডীপাঠের আগে যে স্তব পড়া হয়। পাঁচ মিনিট। আমরা বলব, অষ্টমীর সকালে অঞ্জলি দিতে বেরোনোর আগে এটাই চালান।

পুজো মুডে আরও

৫:০৫

অষ্টমী, পুজোর ঢাক

Saregama Bengali

চার ঢাকির পাঁচ মিনিট। অঞ্জলির পরে, জানলা খুলে দিয়ে।

পুজো মুডে আরও

৪:২৩

ঢাক বাজা কাঁসর বাজা

T-Series

গেয়েছেন শ্রেয়া ঘোষাল, সুর জিৎ গাঙ্গুলির। এখানে ঢাক হয়ে গিয়েছে পপ গান। ইউটিউবে ৭ কোটি ৬০ লাখ বার দেখা, আমাদের সংগ্রহে ঢাকের গানের মধ্যে এটাই এক নম্বর। আরও আছে শ্রেয়া ঘোষালের পাতায়।

পুজো মুডে আরও

৪:৫২

ঢাকের তালে

SVF Music

রবি কিনাগীর ‘পরান যায় জ্বলিয়া রে’ (২০০৯) ছবির গান, পর্দায় দেব আর শুভশ্রী। গেয়েছেন অভিজিৎ, পরিণীতা আর সুদীপ্ত, সুর জিৎ গাঙ্গুলির। নবমীর রাতের জন্য।

পুজো মুডে আরও

সিনেমার কোন গান পুজোর গান হয়ে গেল?

পুজোর সপ্তাহে ছবি মুক্তি দেওয়া বাংলা সিনেমার পুরোনো অভ্যাস। সেই সব ছবির কয়েকটা গান ছবির চেয়েও বেশি দিন বেঁচে আছে। ‘চ্যালেঞ্জ ২’ মুক্তি পেয়েছিল ২০১২ সালের ১৯ অক্টোবর, পুজোর সপ্তাহে। ওই ছবি থেকে একটা গানই রাখতে হলে আমরা রাখব ‘এলো যে মা’।

৪:৫১

এলো যে মা

SVF

অভিজিৎ ভট্টাচার্য আর শ্রেয়া ঘোষাল, সুর জিৎ গাঙ্গুলির, কথা প্রিয় চট্টোপাধ্যায় আর রাজা চন্দের। এই পুজোয় সিনেমার একটাই গান শুনলে এটাই শুনুন।

পুজো মুডে আরও

৩:৪৪

এবার যেন অন্যরকম পুজো

SVF

রাজ চক্রবর্তীর ‘যোদ্ধা’ (২০১৪) থেকে, পর্দায় দেব আর মিমি। সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ইউটিউবে প্রায় ৭ কোটি বার দেখা।

পুজো মুডে আরও

২:৫৩

দুগ্গা মা

SVF

অরিজিৎ সিং, রাজ চক্রবর্তীর ‘বলো দুগ্গা মাঈকি’ (২০১৭) থেকে। তিন মিনিটও নয়। আরও আছে অরিজিৎ সিংয়ের পাতায়।

পুজো মুডে আরও

৩:৩৭

আজ বাজে মন মাঝে

Amara Muzik Bengali

গেয়েছেন সোমছন্দা, সুর বিক্রম ঘোষের, অরিন্দম শীলের ‘দুর্গা সহায়’ (২০১৭) ছবিতে। গোটা ছবিটা ঘটে মহালয়া থেকে বিজয়া দশমীর মধ্যে, উত্তর কলকাতায়, এক জহুরি পরিবারের বাড়ির ভেতরে।

পুজো মুডে আরও

প্রবাসী বাঙালির তালিকায় যে ছবিটা থাকা উচিত, সেটা সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘উমা’ (২০১৮)। উমা জুরিখে থাকে, আর মাস দুয়েকের বেশি বাঁচবে না। তার ইচ্ছে কলকাতার দুর্গাপুজো দেখবে, আর বাবা অসময়ে তার জন্য একটা পুজো সাজিয়ে ফেলেন। ছবিটা তৈরি এক সত্যি জীবন থেকে। ইভান লেভারসেজ নামে একটি ছেলে, বাড়ি কানাডার অন্টারিওর সেন্ট জর্জে। অন্য টাইম জোনে বসে ফোনে পুজো দেখেছেন যাঁরা, সেই বাবাকে তাঁরা বুঝবেন।

৩:০৯

জাগো উমা

SVF

‘উমা’ ছবির গান: গেয়েছেন রূপঙ্কর, সুর অনুপম রায়ের। আমাদের সপ্তমীর সকালের গান।

পুজো মুডে আরও

নতুন পুজোর হিট, আর মণ্ডপের থিম সং

বড় ক্লাবগুলোর কেউ কেউ এখন নিজেদের গান বার করে। আমাদের কাছে তিনটে আছে: সুরুচি সংঘের ২০১৫ আর ২০১৮-র, আর শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের ২০১৯-এর। শ্রীভূমির গানটা, ‘দুলবে কোমর পাড়ায় পাড়ায়’, আমাদের গোটা পুজোর মুডে এক নম্বর: সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর হিসেবে ইউটিউবে প্রায় ৭ কোটি ৮০ লাখ বার দেখা।

৭:২০

দুলবে কোমর পাড়ায় পাড়ায়

Sreebhumi Sporting Club

সাত মিনিট, লেক টাউনের ক্লাবটার নিজের চ্যানেল থেকে।

পুজো মুডে আরও

৩:৩৪

মা গো তুমি সর্বজনীন

SVF

সুরুচি সংঘের ২০১৫ সালের থিম সং, বাজে এসভিএফ থেকে। ইউটিউবে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ বার দেখা।

পুজো মুডে আরও

২:৩১

দুগ্গা এলো

Zee Music Bangla

মোনালী ঠাকুরের গান, ২০১৯ সালের, বাজে জি মিউজিক বাংলা থেকে। আড়াই মিনিট, দেখা হয়েছে ৫ কোটি ৭০ লাখ বার।

পুজো মুডে আরও

৬:৪৪

পূজার গান

SVF Music

২০২৫-এর পুজোয় হুলিগানিজমের গান, এসভিএফ মিউজিক থেকে, সাথে অনির্বাণ, শুভদীপ, দেবরাজ আর গোপীনাথ। এ পাতায় ২০২৫-এর গান দুটো, এটা তার একটা।

পুজো মুডে আরও

দশমীর বিজয়ার গান

বিজয়ার গান আগমনীরই বাকি অর্ধেক। উইকিপিডিয়ার আগমনী-বিজয়া পাতা ব্যাপারটা সোজা করেই বলেছে: আগে ঘরে ফেরা, তারপর যাওয়ার দিন বিদায়ের দুঃখ, উমা যখন শিবের কাছে ফিরে যান। দশমীতে এয়োরা সিঁদুর খেলেন: আগে মাকে সিঁদুর পরান, তারপর একে অন্যকে। তারপর শোভাযাত্রা রওনা দেয় ঘাটের দিকে।

১০:১০

দশমী, পুজোর ঢাক

Saregama Bengali

দশ মিনিট, অষ্টমীর ট্র্যাকের সেই চার ঢাকি। সবার মুখে সিঁদুর থাকতে থাকতেই চালিয়ে দিন।

পুজো মুডে আরও

২:২৫

বিসর্জন

Zee Music Bangla

গেয়েছেন শান, লিখেছেন অনুপম রায়, ২০১৯-এর ছবি ‘সাঁঝবাতি’-র জন্য। আড়াই মিনিট।

পুজো মুডে আরও

৩:৪১

বছর বছর আসতে হবে

Akassh

আকাশ আর হৈমন্তী, ২০১৮। ঘাটে দাঁড়িয়ে সবাই মাকে যা বলেন, গানের নাম ঠিক সেটাই। পুজোর সপ্তাহ আমরা এই গানেই শেষ করি।

পুজো মুডে আরও

ষষ্ঠীতে যে আগমনী চালিয়েছিলেন, সেখানে মা দিন গুনছিলেন, মেয়ে কবে আসবে। বিজয়ার গানে সেই মা-ই দাঁড়িয়ে আছেন দরজায়। শেষ গানটা চালাতে তাই এত কষ্ট। দশমীর দিন সেই দরজা থেকেই কলকাতা গলা ছেড়ে বলে ওঠে: আসছে বছর আবার হবে।

বেঙ্গালুরু, লন্ডন বা নিউ ইয়র্ক থেকে পুজোর গান

এ বছর অষ্টমী পড়েছে সোমবার, ১৯ অক্টোবর, আর দশমী বুধবার, ২১ অক্টোবর। বাংলার বাইরে থাকা বেশির ভাগ বাঙালির পুজোর বড় দিনগুলো তাই কাজের সপ্তাহে। সপ্তাহটা ক্রম মেনে সাজিয়ে নিন, তারপর চলতে দিন: শুক্র-শনির সন্ধেয় আগমনী, শনি-রবিবার সিনেমার গান, সোমবার অফিসের আগে অষ্টমীর ঢাক, আর বুধবার দশমীর ঢাকের সাথে ‘বছর বছর আসতে হবে’। কলকাতায় বুধবার রাত সাড়ে ৮টা মানে লন্ডনে বিকেল ৪টে, নিউ ইয়র্কে সকাল ১১টা।

ওপরের সব গানই আছে পুজোর মুডে। যে গানই শেষ হোক, মুডটা সেখান থেকে নিজেই চলতে থাকে। নজরুলের দুর্গার গানগুলো পাবেন আলাদা এক মুডে, নজরুলের মুডে। আর মহালয়ার ভোরের সম্প্রচার ফসকে গেলে আমাদের মহালয়ার লেখায় পুরো মহিষাসুরমর্দিনী আছে, আর কলকাতার ভোর ৪টে আপনার শহরে ক’টা, সেই হিসেবও।

তথ্যসূত্র (১০)
সদ্য এসেছেগল্পের চ্যানেলে নতুন কী এলসবে যা উঠেছে, বাজে চ্যানেলের নিজের ইউটিউবেই।

মুড কলকাতাকে ফলো করুন

এমন লেখা, নতুন গল্প আর গান এলেই খবর পাবেন।

  1. শোনা

    মান্না দে-র বাংলা গান: শুরু করুন এই ১৪টা দিয়ে

  2. শোনা

    পুরোনো বাংলা গান: ২০টা আধুনিক গান, কে লিখেছেন, কে সুর দিয়েছেন

  3. শোনা

    ভূতের গল্প: বাংলার কোন জায়গায় কোন গল্প, অঞ্চল ধরে ধরে

থামানো

হোম স্ক্রিনে MoodKolkata যোগ করুন

  1. ব্রাউজারের বারে শেয়ার-এ চাপুন (উপরে তীর-দেওয়া চৌকো চিহ্ন)।
  2. নীচে নেমে “Add to Home Screen”-এ চাপুন।
  3. “Add”-এ চাপুন। হোম স্ক্রিন থেকে MoodKolkata অ্যাপের মতোই খুলবে।