
উৎসব
মহালয়া (Mahalaya) ২০২৬: বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের মহিষাসুরমর্দিনী কখন শুনবেন, কলকাতায় আর বিদেশে
মহালয়া কবে, ভোর ৪টের সম্প্রচার লন্ডন, নিউ ইয়র্ক বা ঢাকায় ক’টায় পড়ছে, আর পুরো রেকর্ডিংটা যখন খুশি কোথায় শুনবেন।
এই লেখায় (৬)
মহালয়ার ভোর মানে অন্ধকারে অ্যালার্ম, আর রেডিওতে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের গলা। এ বছর সেই ভোর শনিবার, ১০ অক্টোবর। কলকাতায় তখন ভোর ৪টে, আর নিউ জার্সিতে আগের দিন সন্ধে, রাতের খাওয়ার আগে। অথচ এই অনুষ্ঠানের ইতিহাসে প্রায় কোনও তারিখ নিয়েই সবাই একমত নন। একমত শুধু গলাটা নিয়ে। ১৯৭৬ সালে আকাশবাণী সেই গলাটাই বদলে দিতে চেয়েছিল।
মহালয়া কী, ২০২৬-এ কবে পড়ছে?
মহালয়া আশ্বিনের অমাবস্যা। পিতৃপক্ষের শেষ দিন, পূর্বপুরুষদের স্মরণের দিন। তার পরদিন থেকে দেবীপক্ষ। দৃকপঞ্চাঙ্গের কলকাতার পঞ্জিকা বলছে, ২০২৬ সালে পিতৃপক্ষ চলছে শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে শনিবার, ১০ অক্টোবর পর্যন্ত। ওই পঞ্জিকাতেই আছে, চণ্ডীপাঠ আর দুর্গাপুজোর শুরু মহালয়ার পরের দিন থেকে।
তিথির হিসেব অবশ্য ক্যালেন্ডারের দিন মেনে চলে না। কলকাতায় অমাবস্যা লাগছে শুক্রবার, ৯ অক্টোবর রাত মোটামুটি ৯টা ৩৫-এ, ছাড়ছে শনিবার রাত ৯টা ২০-র কাছাকাছি। দৃকপঞ্চাঙ্গ আর বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতের হিসেবে এক-দু’মিনিটের তফাত আছে।
সকালের আসল কাজ তর্পণ: কালো তিল মেশানো জল, পূর্বপুরুষদের নাম করে। গঙ্গার ঘাটে ঘাটে হাজার হাজার মানুষ সেটাই করেন। সেদিন সকালে কলকাতায় গাড়ি নিয়ে বেরোলে আগে থেকে হিসেব করে নিন। মহালয়ার জন্য কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক বিজ্ঞপ্তি (টিপি/৪৭, তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) অনুযায়ী শনিবার, ১০ অক্টোবর ভোর ৩টে থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মালবাহী গাড়ি শহরে ঢুকবে না। ছাড় পাবে এলপিজি, জ্বালানি, অক্সিজেন, আনাজ, ফল, মাছ, দুধ আর ওষুধের মতো জরুরি জিনিসের গাড়ি। ১,৬০০ কেজি পর্যন্ত ছোট মালবাহী গাড়ি ঢুকতে পারবে বিকেল ৪টে থেকে। ভোর ৪টে থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত স্ট্র্যান্ড রোডে কিরণশঙ্কর রায় রোডের মোড় পেরিয়ে দক্ষিণে কোনও গাড়ি যাবে না। ওই একই সময়ে বাবুঘাটের বাস ঘুরবে হেয়ার স্ট্রিটের মোড় থেকে, আর গভর্নমেন্ট প্লেস (ওয়েস্ট) থেকে অকল্যান্ড রোড বন্ধ। দরকার হলে প্লাসি গেট রোডের মোড় থেকে কিংসওয়ে, আর অকল্যান্ড রোড থেকে কমিশারিয়েট রোডের মোড় পর্যন্ত স্ট্র্যান্ড রোড বন্ধ থাকবে, শুধু পুণ্যার্থীদের গাড়ি ছাড়া। রেড রোডের হিসেব আলাদা। দুর্গাপুজোর একটা অনুষ্ঠানের জন্য আরেকটা বিজ্ঞপ্তি (টিপি/৪৮) অনুযায়ী রাস্তাটা দরকার মতো বন্ধ থাকছে মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর রাত ১০টা থেকে ১০ তারিখ গভীর রাত, কিংবা রবিবার, ১১ অক্টোবর ভোর পর্যন্ত। মেট্রো রেলওয়ে কলকাতা জানিয়েছে, সেই শনিবার বাড়তি ট্রেন চলবে, ব্লু লাইনে ২৫২-র জায়গায় ২৭২টি। তবে প্রথম আর শেষ ট্রেনের সময় বদলাচ্ছে না।
মহিষাসুরমর্দিনী রেডিওতে কবে শুরু হয়েছিল?
শুরুর বছর নিয়ে তর্ক আজও মেটেনি। অনুষ্ঠানের তিন কারিগর নিয়ে অবশ্য কোনও দ্বিমত নেই। রচনা বাণীকুমারের, সুর পঙ্কজকুমার মল্লিকের, আর গ্রন্থনা ও চণ্ডীর শ্লোকপাঠ বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের। সংস্কৃত শ্লোকের ফাঁকে ফাঁকে বাংলা ভক্তিগীতি আর যন্ত্রসংগীত। গাইয়েদের মধ্যে আছেন প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্যামল মিত্র।
১৯৩১ না ১৯৩২
কলকাতা কেন্দ্রের প্রথম প্রভাতী অনুষ্ঠান। বিশ্বকোষ একমত নয়, আর ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৩১-এর ছাপা সূচিতে সেদিন ভোরের কোনও অনুষ্ঠান নেই।
১৯৩৬
৮ জুন ইন্ডিয়ান স্টেট ব্রডকাস্টিং সার্ভিস হল অল ইন্ডিয়া রেডিও।
১৯৩৭
‘বেতার জগৎ’-এর সূচিতে মহালয়ার ভোর ৬টায়, ৪ অক্টোবর, ‘মহিষমর্দ্দিনী’: রচনা বাণীকুমার, প্রযোজনা পঙ্কজকুমার মল্লিক।
১৯৬২ থেকে ১৯৭৬
সরাসরি সম্প্রচারের জায়গা নিল রেকর্ডিং। সূত্রভেদে ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৭২ বা ১৯৭৬।
১৯৭৬
২৩ সেপ্টেম্বর ভোরে উত্তমকুমারের ‘দেবীং দুর্গতিহারিণীম্’। শ্রোতাদের তুমুল আপত্তি।
বছর ঘোরার আগেই
ফিরে এল বীরেন্দ্রকৃষ্ণের রেকর্ডিং।
আজ
মহালয়ার ভোর ৪টেয় আকাশবাণী সেটাই বাজায়, যেমন বাজিয়েছিল ২০২৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর।
গোলমাল সালটা নিয়ে, আর এখানে বিশ্বকোষও একমত নয়। ইংরেজি উইকিপিডিয়া বলছে ১৯৩১, বাংলা উইকিপিডিয়া বলছে ১৯৩২। অনুষ্ঠানের বাংলা ইতিহাসও বলে, প্রথম প্রভাতী অনুষ্ঠান ১৩৩৯ বঙ্গাব্দের আশ্বিনে, মহালয়ায় নয়, ষষ্ঠীর ভোরে। খানিকটা মীমাংসা করে দেয় বেতারের নিজের পত্রিকা ‘বেতার জগৎ’। পত্রিকাটা আকাশবাণী কলকাতা অনলাইনে তুলে দিয়েছে। প্রথম সম্প্রচারের দিন বলে সাধারণত ধরা হয় মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৩১। সেদিনের ছাপা অনুষ্ঠানসূচিতে ভোরের কোনও অনুষ্ঠানই নেই। দিন শুরু সকাল ৮টায়, রেকর্ড বাজিয়ে। যত সংখ্যা পাওয়া যায়, তার মধ্যে অনুষ্ঠানের নাম প্রথম ছাপা আছে ১ অক্টোবর ১৯৩৭-এর সংখ্যায়: মহালয়া, সোমবার, ৪ অক্টোবর ১৯৩৭, ভোর ৬টা, ‘মহিষমর্দ্দিনী’, মহালয়া উপলক্ষে বাণীকুমারের লেখা, প্রযোজনা পঙ্কজকুমার মল্লিক। ১৯৩১-৩২-এর যে সংখ্যাগুলোয় এর মীমাংসা থাকতে পারত, সেগুলো অনলাইনে নেই। তাই প্রথম বছরটা খোলা প্রশ্নই থেকে গেল।
বহু বছর অনুষ্ঠানটা হত সরাসরি, ভোরের আগে শিল্পীরা স্টুডিওয় হাজির। কলকাতা বেতার ১৯২৭ থেকে চলত ১ নম্বর গার্স্টিন প্লেস থেকে। পরে উঠে যায় আকাশবাণী ভবনে, কোনও হিসেবে ১৯৫৮ সালে, কোনও হিসেবে ১৯৬১-তে। সরাসরি সম্প্রচার কবে থামল, তা নিয়েও মতভেদ। কারও হিসেবে ১৯৬২, কারও ১৯৬৬ বা ১৯৭২, কারও ১৯৭৬। যে হিসেবই ধরুন, আকাশবাণী যে টেপ বাজায় তার বয়স মোটামুটি পঞ্চাশ, হয়তো আরও বেশি।
তারপর ১৯৭৬। সে বছর ২৩ সেপ্টেম্বর ভোরে ওই সময়ে বাজল নতুন অনুষ্ঠান, ‘দেবীং দুর্গতিহারিণীম্’, অনেক জায়গায় লেখা হয় ‘দুর্গা দুর্গতিহারিণী’। গ্রন্থনায় উত্তমকুমার, সুরে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। শ্রোতারা তুমুল আপত্তি তুললেন, আর বছর ঘোরার আগেই ফিরে এল বীরেন্দ্রকৃষ্ণের মহিষাসুরমর্দিনী। আমাদের মনে হয়, আপত্তিটা উত্তমকুমারের বিরুদ্ধে ছিল না। মহানায়ককে কেউ ফেরাননি। আসলে ভোরে উঠে সেই গলাটা আর শুনবেন না, এটাই মানুষ মানতে পারেননি।
এখানে মহিষাসুরমর্দিনী কীভাবে শুনবেন?
নীচের সবক’টা এখান থেকেই চালাতে পারেন। শেষ হলে পুজোর মুড নিজে থেকেই বাজতে থাকবে।
১:২৯:১৯মহালয়া (মহিষাসুরমর্দিনী), পুরো অনুষ্ঠান
Saregama Bengali
৮৯ মিনিট, সারেগামার আপলোড। একটাই শুনলে এটাই শুনুন, গোড়া থেকে শেষ পর্যন্ত, আলো নিভিয়ে।
৩০:০৭চণ্ডীপাঠ, মহিষাসুরমর্দিনী
Saregama Bengali
সারেগামার ৩০ মিনিটের চণ্ডীপাঠ, শুধু বীরেন্দ্রকৃষ্ণের গলায়।
৬:৫০নারায়ণী নমোহস্তুতে
Saregama Bengali
বীরেন্দ্রকৃষ্ণের ছোট একটা রেকর্ডিং। সারেগামা এর নাম রেখেছে ‘দুর্গা বন্দনা’।
৩:৪৪বাজলো তোমার আলোর বেণু
Saregama Bengali
সারেগামার তালিকায় গানটা পঙ্কজ মল্লিক আর সুপ্রীতি ঘোষের নামে।
রেকর্ডিংগুলোর মালিক সারেগামা। এখানে চালালে বাজে সারেগামার নিজের ইউটিউব আপলোড থেকেই।
বিদেশে মহিষাসুরমর্দিনী ক’টায় শুনবেন?
আকাশবাণী ভোর ৪টের সময় বহাল রাখলে আপনার শহরে সম্প্রচার শুরু হবে নীচের সময়ে। হিসেবটা শনিবার, ১০ অক্টোবরের ভোর ৪টে (ভারতীয় সময়) থেকে, প্রতিটি দেশের নিজের ঘড়ি বদলের তারিখ ধরে। কানাডা ঘড়ি বদলায় আমেরিকার সঙ্গে একই দিনে, ভিক্টোরিয়া নিউ সাউথ ওয়েলসের সঙ্গে। ব্রিটেনে বিএসটি চলবে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। সিডনি-মেলবোর্নে ডেলাইট সেভিং শুরু রবিবার, ৪ অক্টোবর থেকে। আমেরিকা আর কানাডায় সেটা থাকছে ১ নভেম্বর পর্যন্ত।
কলকাতার ভোর ৪টে আপনার শহরে ক’টা
- কলকাতা, গোটা ভারতশনি০৪:০০১০ অক্টো
- ঢাকাশনি০৪:৩০১০ অক্টো
- দুবাইশনি০২:৩০১০ অক্টো
- সিঙ্গাপুরশনি০৬:৩০১০ অক্টো
- সিডনি, মেলবোর্নশনি০৯:৩০১০ অক্টো
- লন্ডনশুক্র২৩:৩০৯ অক্টো
- নিউ ইয়র্ক, টরন্টোশুক্র১৮:৩০৯ অক্টো
- শিকাগোশুক্র১৭:৩০৯ অক্টো
- সান ফ্রান্সিসকো, ভ্যাঙ্কুভারশুক্র১৫:৩০৯ অক্টো
আকাশবাণী প্রচলিত ভোর ৪টের সময় বহাল রাখলে। ব্রিটেনে ডেলাইট সেভিং ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত, আমেরিকায় ১ নভেম্বর পর্যন্ত। সিডনি-মেলবোর্নে শুরু ৪ অক্টোবর থেকে।
সরাসরি শুনতে চাইলে আকাশবাণীর নিজের লাইভ পাতায় কলকাতার স্ট্রিমগুলো আছে, তার মধ্যে আকাশবাণী কলকাতা গীতাঞ্জলি, সঞ্চয়িতা আর মৈত্রী। প্রসার ভারতীর নিউজঅনএয়ার অ্যাপেও এই কেন্দ্রগুলো পাবেন। কোন স্ট্রিমে সম্প্রচার হবে, সেটা আকাশবাণীর অনুষ্ঠানসূচিতে দিনের কাছাকাছি জানা যাওয়ার কথা। সে রাতে একবার দেখে নিন। ২০২৫ সালে অল ইন্ডিয়া রেডিওর ইউটিউব চ্যানেলেও শোনা গিয়েছিল।
তাহলে দুটো রাস্তা। কলকাতার সঙ্গে একই মিনিটে সরাসরি শুনুন, টরন্টোয় শুক্রবার সন্ধে সাড়ে ৬টা হলেও। নয়তো নিজের শহরের শনিবার ভোরের জন্য অপেক্ষা করুন, আর পুজোর মুড থেকে সারেগামার রেকর্ডিং চালান। সময়ে কুলোলে আমরা সরাসরিই শুনতে বলব। রেকর্ডিং তো একই। একসঙ্গে শোনার ওই মিনিটটা আর ফেরত পাওয়া যায় না।
দেবীপক্ষে আর কী শুনবেন
নীচের তিনটে মির্চি বাংলার গল্প।
১০:২৭শুনুন: মহালয়া স্পেশাল অডিওবুক: দেবী কথামহালয়া স্পেশাল অডিওবুক: দেবী কথা
Mirchi Bangla
সঙ্গে জগন্নাথ বসু। ঘাট থেকে হেঁটে ফেরার পথটুকুর মাপে।
২২:৪১শুনুন: কালী কথা: নবরাত্রি ও মহালয়ার তাৎপর্যকালী কথা: নবরাত্রি ও মহালয়ার তাৎপর্য
Mirchi Bangla
টাইমস অফ পুরাণ, প্রথম পর্ব। নাম থেকেই বোঝা যায়, নবরাত্রি আর মহালয়ার মানে নিয়ে কথা। বাড়ির ছোটরা যদি জিজ্ঞেস করে সবাই ভোর ৪টেয় কেন উঠেছিল, এখান থেকে শুরু করতে পারেন।
৫০:০০শুনুন: মহামায়ার গল্প: মহিষাসুর বধমহামায়ার গল্প: মহিষাসুর বধ
Mirchi Bangla
টাইমস অফ পুরাণ, দশম পর্ব। ভোরে যে কাহিনির শ্লোক শুনলেন, সেটাই গল্পের আকারে। দুপুরের জন্য তুলে রাখুন।
আরও পুরাণের গল্প আছে পুরাণের পাতায়, আর এই চ্যানেলের সব গল্প মির্চি বাংলার পাতায়।
মহিষাসুরমর্দিনী প্রথম কোথা থেকে সম্প্রচার হত?
প্রথম দিকে অনুষ্ঠানটা সরাসরি সম্প্রচার হত ১ নম্বর গার্স্টিন প্লেস থেকে। গলাটা টিকে গেল, বাড়িটা টিকল না। ১৯৯৭ সালের জানুয়ারিতে সেটা ভেঙে ফেলা হয়। বাড়িটার ভুতুড়ে বলে বদনাম ছিল।
বীরেন্দ্রকৃষ্ণের নাম আছে আমাদের সংগ্রহের একটা ভূতের গল্পেও। মির্চি বাংলার সানডে সাসপেন্স ক্লাসিকস ‘গার্স্টিন প্লেসের সাহেব ভূত’ গল্পটা তাঁর নামেই দিয়েছে।
৮:৩০শুনুন: গার্স্টিন প্লেসের সাহেব ভূতগার্স্টিন প্লেসের সাহেব ভূত
Mirchi Bangla
সানডে সাসপেন্স ক্লাসিকস, সাড়ে আট মিনিটের গল্প। চণ্ডীপাঠ শেষ হলে, বাড়ি আবার চুপচাপ হয়ে গেলে, চালিয়ে দিন।
ইউটিউবে ‘আকাশবাণী কলকাতা’ নামের একটা চ্যানেলে শ্রুতিনাটকও আছে। সেগুলো পাবেন আমাদের আকাশবাণী কলকাতার পাতায়।
তথ্যসূত্র (৯)
- বেতার জগৎ, ১ অক্টোবর ১৯৩৭ (৪ অক্টোবর ১৯৩৭-এর সূচি), আকাশবাণী কলকাতা, Google Books-এ। দেখা হয়েছে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
- বেতার জগৎ, সেপ্টেম্বর ১৯৩১ (২২ সেপ্টেম্বর ১৯৩১-এর সূচি), আকাশবাণী কলকাতা, Google Books-এ। দেখা হয়েছে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
- ২০২৬ অমাবস্যার তারিখ, কলকাতা, দৃকপঞ্চাঙ্গ। দেখা হয়েছে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
- মহিষাসুরমর্দিনী (বেতার অনুষ্ঠান), বাংলা উইকিপিডিয়া। দেখা হয়েছে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
- মহিষাসুরমর্দিনী (বেতার অনুষ্ঠান), ইংরেজি, উইকিপিডিয়া। দেখা হয়েছে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
- বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি)। দেখা হয়েছে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
- মহালয়া, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি)। দেখা হয়েছে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
- ১৯৩৬ সালের ৮ জুন অল ইন্ডিয়া রেডিও নাম, নিউজঅনএয়ার, প্রসার ভারতী। দেখা হয়েছে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
- লাইভ রেডিও, আকাশবাণী, প্রসার ভারতী। দেখা হয়েছে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
মুড কলকাতাকে ফলো করুন
এমন লেখা, নতুন গল্প আর গান এলেই খবর পাবেন।


