মূল অংশে যান
MoodKolkata
কমলা কাপড়ে মোড়া মণ্ডপে তিন চালার রুপোলি ডাকের সাজে গোটা দুর্গা পরিবার: বাঁ দিকে গণেশ আর লক্ষ্মী, মাঝখানে সিংহের পিঠে দুর্গা আর মহিষাসুর, ডান দিকে সরস্বতী আর কার্তিক, সামনের মেঝেতে আলপনা
তিন চালার ডাকের সাজের দুর্গা, ২০২২-এর পুজোয় ষষ্ঠীর সন্ধেয়

উৎসব

কলকাতার দুর্গাপুজো ২০২৬: উত্তর, মধ্য, দক্ষিণে এখনও পর্যন্ত কোন পুজো কী থিম জানাল

কলকাতার কোন পুজো নিজের পাতায় ২০২৬-এর থিম জানিয়েছে, কারা এখনও চুপ, মেট্রোয় কোথায় নামবেন, আর এক সন্ধেয় উত্তর কলকাতা ঘোরার পথ।

রাজীব সেনপ্রকাশ হালনাগাদ

এই লেখায় (৫)

এ বছরের থিম খুঁজলেই একটা তালিকা চোখে পড়বে, ডজনখানেক সাইটে হুবহু এক, একই রকম জোর গলায় লেখা। তার অনেকটাই কমিটিগুলো নিজেদের পাতায় কোথাও লেখেনি। এই লেখা তাই চলেছে প্রতিটা কমিটির নিজের পাতা ধরে, ২৮ সেপ্টেম্বর পাতাগুলো যেমন ছিল। চারটে বড় পুজো থিম জানিয়েছে। আরও কয়েকটা এমন কিছু জানিয়েছে যা কাজে লাগে: কবে দরজা খুলছে, কিংবা পুজো আদৌ হচ্ছে কি না। আর বেশ কয়েকটা নামী পুজো এখনও কিছুই বলেনি। নীচে তিন দল আলাদা আলাদা। যে কথা যে পোস্টের, তার লিঙ্ক পাশেই। যেখানে এখনও জানানোর মতো কিছু নেই, সেখানে সোজাসুজি সেটাই লেখা।

ব্যানার দেখে প্যান্ডেলের বিচার হয় না। মহালয়া এবার শনিবার, ১০ অক্টোবর। তার পর থেকে একে একে মণ্ডপের দরজা খুলবে, আসল ‘ফার্স্ট লুক’ মিলবে তখনই। সেগুলো এই লেখায় উঠবে ১১ আর ১৫ অক্টোবর। পুজোর কোন দিন কবে পড়ছে আর কী হয়, সব লেখা আছে দুর্গাপুজো ২০২৬: কোন দিন কী লেখাটায়।

উত্তর কলকাতা: টালা প্রত্যয় থেকে আহিরীটোলা

এ বছর থিম সবচেয়ে বেশি বেরিয়েছে উত্তরে, আর পুজোগুলোও কাছাকাছি। নীচের পাঁচটাই ব্লু লাইনের ধারে, বেলগাছিয়া থেকে শোভাবাজার সুতানুটির মধ্যে। কুমোরটুলি পার্ক, আহিরীটোলা আর বাগবাজার থেকে গঙ্গা আর কুমোরটুলি, দুটোই হাঁটাপথ। ইংরেজি উইকিপিডিয়ার পাতা কুমোরটুলিকে রেখেছে রবীন্দ্র সরণি আর গঙ্গার মাঝে, এক পাশে আহিরীটোলা, অন্য পাশে শোভাবাজার।

কুমোরটুলি পার্ক সর্বজনীন

কুমোরটুলি, উত্তর কলকাতা

যে নদীর পাশে গোটা পাড়াটা বেঁচে আছে, এবার থিম তাকে নিয়েই। কুমোরটুলি পার্ক আর কুমোরটুলি সর্বজনীন দুটো আলাদা পুজো, এটা প্রথমটা। সেপ্টেম্বরে কমিটি নিজের পাতায় লম্বা একটা পোস্টে ভাবনাটা জানিয়েছে: শারদীয়া ২০২৬-এ কুমারটুলি পার্ক আনছে ‘গঙ্গা তুমি বইছো কেন...?’ রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর আবার একটা মাত্র লাইনে সেই কথা, সঙ্গে #theme2026। বাঁশ আর কাপড়ে সেটা কেমন দাঁড়াবে, বাইরের কেউ এখনও দেখেনি। নীচের সন্ধের পথ ধরলে বিকেল ৩টের মধ্যে বেরিয়ে পড়ুন, তবেই অন্ধকার নামার আগে গঙ্গার ধারের গলিগুলোয় পৌঁছতে পারবেন। ওই সেপ্টেম্বরের পোস্টেই কমিটি লিখেছে, কুমোরটুলির অলিগলিতে তখন মায়ের রূপ দেওয়ার ব্যস্ততা। ষষ্ঠী আসতে আসতে অবশ্য বেশির ভাগ প্রতিমাই কারখানা ছেড়ে বেরিয়ে যায়। কেউ ছবি তুলতে না বললে ক্যামেরা নামিয়ে রাখুন, আর কারখানার ভেতরে পা দেবেন না।

২০২৬-এর থিম
‘গঙ্গা তুমি বইছো কেন’, কমিটির নিজের পোস্টে
মেট্রো
শোভাবাজার সুতানুটি (ব্লু লাইন), উইকিপিডিয়ার মতে কুমোরটুলির সবচেয়ে কাছের মেট্রো। ট্রেনে এলে চক্ররেলের শোভাবাজার আহিরীটোলা

Google Maps-এ দেখুন

আহিরীটোলা সর্বজনীন

আহিরীটোলা, গঙ্গার ধারে, উত্তর কলকাতা

এবারের থিম মিষ্টি। নিজেদের থিম এত খুঁটিয়ে আর কেউ বলেনি। ২৭ সেপ্টেম্বর কমিটি নিজের পাতায় ৮৭তম বছরের পুজোর পুরো বিবরণ তুলে দিয়েছে। থিম ‘মাধুরী মৈত্রী-অন্বেষণে’, বাংলার মিষ্টির লম্বা ইতিহাস: গুড়, চাল, নারকেল আর ক্ষীর থেকে ছানা, সন্দেশ, রসগোল্লা পর্যন্ত। সেখানে শিল্পী মানস দাস বলেছেন, মণ্ডপের মুখে থাকবে সিংহাসনের মতো বিরাট এক কাঠামো, সেটা আসলে মিষ্টির দোকানের প্রতীক। থাকবে বিশাল এক বারকোশ, সন্দেশের ছাঁচ দিয়ে গড়া ইনস্টলেশন, আর এক এক জায়গার চেনা মিষ্টি: কালীঘাটের হারানো মাঝির চ্যাপ্টা রসগোল্লা, তারাপীঠের ল্যাংচা, দক্ষিণেশ্বরের ক্ষীরের সন্দেশ। প্রতিমা গড়ছেন সুব্রত মুখা। মিষ্টির মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে মিষ্টি খেতে ইচ্ছে করবেই। ফেরার পথে একটা দোকানে ঢোকার সময় হাতে রাখুন।

২০২৬-এর থিম
‘মাধুরী মৈত্রী-অন্বেষণে’, বাংলার মিষ্টির ইতিহাস (৮৭তম বছর)
মণ্ডপ ও প্রতিমা
মানস দাস। প্রতিমা সুব্রত মুখা
মেট্রো
শোভাবাজার সুতানুটি (ব্লু লাইন), সোজা মাপে প্রায় ১.১ কিমি

Google Maps-এ দেখুন

বাগবাজার সর্বজনীন

বাগবাজার স্ট্রিট, উত্তর কলকাতা

পুরোনো চেহারার ঠাকুর দেখতে চাইলে বাগবাজারে যান। উইকিপিডিয়া এখানকার প্রতিমাকে বলছে সাবেক গড়নের, আর পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজোর পাতা বাগবাজারকে রেখেছে সাবেকি পুজোর দলে। এ বছর গুজব রটেছিল, পুজো হবে না। ১০ সেপ্টেম্বর কমিটি নিজের পাতায় জবাব দিয়েছে: ‘বাগবাজারের পুজো বন্ধ হচ্ছে না’, যেভাবে হয়ে এসেছে সেভাবেই হবে। ক’দিন পরে এসেছে কাজ চলার ছবিও। থিম ঘোষণার কিছু নেই, সাবেকিয়ানাই এখানে আসল কথা।

২০২৬
পুজো হচ্ছে, যেমন বরাবর হয় (কমিটির পোস্ট, ১০ সেপ্টেম্বর)
মেট্রো
শোভাবাজার সুতানুটি (ব্লু লাইন), প্রায় এক কিলোমিটার, পথে কুমোরটুলি আর জগৎ মুখার্জি পার্ক পড়ে

Google Maps-এ দেখুন

হাতিবাগান সর্বজনীন

হাতিবাগান, উত্তর কলকাতা

নামের মজায় এবার হাতিবাগানই এগিয়ে। ১৪ সেপ্টেম্বর কমিটি নিজের পাতায় থিমের ব্যানার দিয়েছে: ‘ছন্দছাড়া ছন্নছাড়া’, পাশে ইংরেজিতে ‘Rhythmless, Orderless’। ব্যানারে ভাবনা আর রূপায়ণের ছ’জনের নাম, সঙ্গে ট্যাগ #92years। মণ্ডপ কেমন হবে, তা নিয়ে এর বেশি কিছু বলেনি। হাতিবাগান আবার শহরের বড় বাজারগুলোর একটা। উইকিপিডিয়াও লিখেছে, এখানে দোকান উপচে পড়ে ফুটপাথে। সন্ধের দিকে সেখানে গা ঘেঁষাঘেঁষি ভিড় হবেই, ধরে নিন।

২০২৬-এর থিম
‘ছন্দছাড়া ছন্নছাড়া’
মেট্রো
শোভাবাজার সুতানুটি বা শ্যামবাজার (ব্লু লাইন), হাতিবাগান থেকে সোজা মাপে প্রায় ৬০০-৭০০ মিটার

Google Maps-এ দেখুন

টালা প্রত্যয়

টালা পার্ক, পাইকপাড়া, উত্তর কলকাতা

টালা প্রত্যয় নিজেদের পুজোকে বলে ‘দুর্গাপুজো আর্ট’, আর ওদের সাইট সেটাকে সাজায় প্রদর্শনীর মতো। গত বছর ছিল শতবর্ষ, কাজের নাম ‘বীজাঙ্গন’, বীজের উঠোন, প্রতিমা ভবতোষ সুতারের। ২০২৬-এর জন্য সাইটের নিজের পাতায় সাধারণ দর্শকের জন্য তারিখ লেখা ১৩ থেকে ২৪ অক্টোবর। তবে ওয়েব্যাক মেশিনে পাতাটা প্রথম ধরা পড়েছে এপ্রিলে, আর তখন থেকেই এই তারিখ। পুজোর কাছাকাছি ক্লাব নিজে নিশ্চিত না করা পর্যন্ত তারিখটা পাকা ধরবেন না। ফেসবুক পাতায় ক্লাব ইদানীং লিখছে ‘সৃষ্টি হোক, ধ্বংস নয়। পুজো হোক, প্রকৃতিকে সঙ্গে নিয়েই।’ তবে থিমের নাম দেয়নি। পুরস্কারের খাতাও লম্বা। উইকিপিডিয়ার এশিয়ান পেন্টস শারদ সম্মানের তালিকা বলছে, টালা পার্ক প্রত্যয় এই সম্মান পেয়েছে সাত বার। ২০১৯-এ এসেছিল টানা তৃতীয় বছর সেরা পুজোর শিরোপা।

তারিখ
সাইটে ১৩ থেকে ২৪ অক্টোবর (এপ্রিল থেকেই লেখা, নিশ্চিত নয়)
থিম
২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঘোষণা হয়নি
মেট্রো
বেলগাছিয়া (ব্লু লাইন), সোজা মাপে প্রায় ৫৩০ মিটার

Google Maps-এ দেখুন

৭:২০

শ্রীভূমির পুজোর গান: দুলবে কোমর পাড়ায় পাড়ায়

Sreebhumi Sporting Club

শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের নিজের থিম সং, ২০১৯-এর, সাত মিনিটের। লেক টাউনের শ্রীভূমি এ বছরের থিম এখনও জানায়নি, আপাতত ওদের এই গানটাই থাক।

পুজো মুডে আরও

এক সন্ধেয় উত্তর কলকাতা: কোন পথে ঘুরবেন

আমাদের সন্ধের পথ শেষ হয় গঙ্গার ধারে। বেলগাছিয়া মেট্রোয় নেমে টালা প্রত্যয়, আধ কিলোমিটারের মতো। সেখান থেকে হাতিবাগান দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় দু’কিলোমিটার। হেঁটে বেশি মনে হলে ব্লু লাইনে বেলগাছিয়া থেকে শ্যামবাজার চলে আসুন। বাগবাজার হাতিবাগান থেকে উত্তর-পশ্চিমে, এক কিলোমিটারের একটু বেশি। সেখান থেকে কুমোরটুলি পার্ক আর আহিরীটোলা দেড় কিলোমিটারের মতো। ফেরার জন্য শোভাবাজার সুতানুটি মেট্রো, কিংবা চক্ররেলের শোভাবাজার আহিরীটোলা স্টেশন। সবই সোজা মাপ। গলি আর ভিড়ে প্রতিটা পথই লম্বা হবে, তার ওপর পুজোর রাতে পুলিশ এই পথের অনেক রাস্তা বন্ধ বা একমুখী করে দেয়। এ বছরের রাস্তা আর ট্রেনের সময় জানতে বেরোনোর আগে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের পুজো গাইড ম্যাপ আর মেট্রো রেলের সাইট দেখে নিন।

মধ্য কলকাতা: সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার আর কলেজ স্কোয়ার

সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার

লেবুতলা পার্ক, বউবাজার, শিয়ালদার কাছে

মধ্য কলকাতার যে পুজো দেখতে লোকে শহরের অন্য প্রান্ত থেকে আসে। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার নিয়ে উইকিপিডিয়ার লেখা বলছে, পুজো শুরু ১৯৩৬-এ। সাম্প্রতিক মণ্ডপের তালিকাও সেখানে আছে: ২০২২-এ লালকেল্লা, ২০২৩-এ রামমন্দির, ২০২৪-এ লাস ভেগাসের স্ফিয়ারের আদল। ২০২৬-এ কমিটি নিজের পাতায় খুঁটিপুজোর সময় জানিয়েছিল রবিবার, ১৯ জুলাই, বিকেল ৫টা। তারপর থেকে চলছে দিন গোনা: ‘অপেক্ষার আর কয়েকদিন’। এ বছরের থিম কিন্তু সেখানে ওঠেনি। অন্য কয়েকটা সাইট অবশ্য একটা থিম ছেপে দিয়েছে। কমিটি নিজে জানালে তবেই সেটা এখানে উঠবে।

২০২৬-এর থিম
২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কমিটির পাতায় নেই
মেট্রো
শিয়ালদা (গ্রিন লাইন), সোজা মাপে প্রায় ৪৬০ মিটার

Google Maps-এ দেখুন

কলেজ স্কোয়ার সর্বজনীন

কলেজ স্কোয়ার, কলেজ স্ট্রিট

কলেজ স্কোয়ারের পুকুরের ধারের পুজো। কমিটির নিজের সাইটে এ বছরের থিমের কোনও কথা নেই। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার এখান থেকে সোজা মাপে এক কিলোমিটারের মতো, এক যাত্রায় দুটোই দেখে নিন। আধঘণ্টা একটু শান্তি চাইলে পাশেই কলেজ স্ট্রিটের বইপাড়া।

২০২৬
থিম ঘোষণা হয়নি (কমিটির সাইট, ২৮ সেপ্টেম্বর)
মেট্রো
সেন্ট্রাল (ব্লু লাইন), সোজা মাপে প্রায় ৫৮০ মিটার

Google Maps-এ দেখুন

দক্ষিণ কলকাতা: বালিগঞ্জ, দেশপ্রিয় পার্ক, নিউ আলিপুর

বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন

লেক ভিউ রোড, মনোহরপুকুর, দক্ষিণ কলকাতা

দক্ষিণে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে পরিষ্কার থিম এখানকার। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি কমিটি থিম লঞ্চের ভিডিও দিয়েছে: ‘যোজন’, ইংরেজিতে ওরা লিখেছে ‘connection’। শিল্পী সুশান্ত শিবানী পাল। ওদের পোস্টে এটা ৭৬তম বছর। হিসেব মেলে উইকিপিডিয়ার সঙ্গেও, সেখানে লেখা ২০১৫-য় পুজো ৬৫ বছরে পা দিয়েছিল। একটা খবর আমাদের ভালো লেগেছে। সেপ্টেম্বরের শেষে ওদের পাতায় একটা পোস্ট: কমিটি আর শিল্পী মিলে রাতের খাওয়ার আয়োজন করেছিলেন মণ্ডপের কারিগরদের জন্য, আর পুজোর ভিড়েও যাঁরা পাড়া সাফ রাখেন, তাঁদের জন্য।

২০২৬-এর থিম
‘যোজন’, সুশান্ত শিবানী পাল
মেট্রো
কালীঘাট (ব্লু লাইন), সোজা মাপে প্রায় ১ কিমি

Google Maps-এ দেখুন

দেশপ্রিয় পার্ক

রাসবিহারী অ্যাভিনিউ আর শরৎ বোস রোডের মাঝে

রাসবিহারী অ্যাভিনিউ আর শরৎ বোস রোডের মাঝের খেলার মাঠ, পাশে প্রিয়া সিনেমা। উইকিপিডিয়ায় দেশপ্রিয় পার্কের লেখা জায়গাটাকে এভাবেই চেনায়, আর বলে এখানে শহরের এক বড় পুজো হয়। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি দেশপ্রিয় পার্ক দুর্গোৎসবের পাতা লিখেছে, ‘যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চলছে’, সঙ্গে স্টল বুকিংয়ের নোটিস। থিম জানায়নি। বালিগঞ্জ কালচারাল এখান থেকে সোজা মাপে ৪০০ মিটারের মতো, দুটো একসঙ্গে সেরে ফেলুন।

২০২৬
কাজ চলছে (দেশপ্রিয় পার্ক দুর্গোৎসবের পাতা, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি)। থিম ঘোষণা হয়নি
মেট্রো
কালীঘাট (ব্লু লাইন), প্রায় ৮০০ মিটার। উইকিপিডিয়া দেশপ্রিয় পার্কের জন্য দেখায় ৩ থেকে ৫ নম্বর গেট

Google Maps-এ দেখুন

সুরুচি সংঘ

নিউ আলিপুর

এশিয়ান পেন্টস শারদ সম্মানে সেরা পুজোর শিরোপা সবচেয়ে বেশি বার পেয়েছে সুরুচিই, উইকিপিডিয়ার হিসেবে বারো বার। ক্লাবের পত্তন ১৯৫২-তে। ২০২৬-এর জন্য অন্য সাইটে দুটো আলাদা থিম ঘুরছে। দুটোই তো আর ঠিক হতে পারে না। কমিটির নিজের পাতায় কোনওটাই নেই। শেষ পোস্ট শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ওপর থেকে তোলা একটা ঝলক আর একটা লাইন: ‘the grand reveal awaits’। এই লেখাও সেই অপেক্ষায়।

২০২৬-এর থিম
২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিজের পাতায় ঘোষণা হয়নি

Google Maps-এ দেখুন

৩:৩৪

মা গো তুমি সর্বজনীন: সুরুচি সংঘের থিম সং

SVF

সুরুচি সংঘের ২০১৫-র থিম সং, সাড়ে তিন মিনিটের, বের করেছিল এসভিএফ। নিউ আলিপুর যাওয়ার পথে চালিয়ে দিন।

পুজো মুডে আরও

দক্ষিণের আরও দুটো নাম এখনও চুপ। একটা বালিগঞ্জের একডালিয়া এভারগ্রিন। উইকিপিডিয়া একে সাবেকি পুজোর দলে রাখে। ওদের পাতায় দিন গোনা শুরু হয়ে গিয়েছে, থিমের দেখা নেই। আরও দক্ষিণে চেতলা অগ্রণীর পাতায় উৎসবের শুভেচ্ছা আছে, থিমের কথা নেই।

এখনও অপেক্ষা: নিজের পাতায় যাদের কোনও খবর নেই

লেক টাউনের শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের কথাই ধরুন। এলাকাটা নিয়ে উইকিপিডিয়ার লেখায় ওখানকার থিম পুজোর তালিকায় শ্রীভূমির নাম আছে। অথচ ক্লাবের দুটো পাতার কোনওটাতেই ২০২৬-এর মণ্ডপ নিয়ে একটা কথাও নেই। মহম্মদ আলি পার্ক আর তালতলার পাতা বহু বছর চুপ, আলিপুর সর্বজনীনের পাতায় শুধু অন্যের পোস্ট শেয়ার করা, আর গৌরীবেড়িয়ার কোনও পাতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। এদের বেশির ভাগের থিম অন্য জায়গায় বেশ জোর গলায় ছাপা হয়ে গিয়েছে। এই লেখায় সেগুলো নেই, কমিটিগুলো নিজেদের পাতায় সে থিম জানায়নি বলে। মণ্ডপ গড়ছেন যাঁরা, থিমটা তাঁদের কাছ পর্যন্ত মিলিয়ে দেখা না গেলে সেটা ছাপার মানে হয় না। কমিটি জানালে ১১ বা ১৫ অক্টোবর এখানে উঠবে।

এ বছর কলকাতায় আসতে না পারলেও পুজোর আওয়াজটা থাকুক। আমাদের পুজোর মুড নিজে থেকেই একটার পর একটা বাজিয়ে চলে ঢাক, আগমনী আর থিম সং। পুরো তালিকা আছে দুর্গাপুজোর গান নিয়ে আমাদের লেখায়। সন্ধ্যারতির শেষে ধুনুচি হাতে নিতে ইচ্ছে হলে পড়ুন ধুনুচি নাচের কথা।

১৬:২০শুনুন: কালী কথা: দেবী দুর্গার নির্মাণ

কালী কথা: দেবী দুর্গার নির্মাণ

Mirchi Bangla

দেবী দুর্গার সৃষ্টির পুরাণকথা, ষোলো মিনিটে, জগন্নাথ বসুর গলায়। মির্চি বাংলার ‘টাইমস অফ পুরাণ’ থেকে। কুমোরটুলির দিকে হাঁটতে হাঁটতে শুনুন।

▶ এখানে শুনুনYouTube-এ দেখুন · Mirchi Bangla

৮:৫৬শুনুন: লাভ শর্টস: প্রেম @ প্যান্ডেল

লাভ শর্টস: প্রেম @ প্যান্ডেল

Akashvani Kolkata

পুজোর প্রেমের গল্প, ন’মিনিটের, আকাশবাণী কলকাতার ইউটিউব চ্যানেল থেকে। মণ্ডপের লাইনে দাঁড়িয়ে শুনে নিন।

▶ এখানে শুনুনYouTube-এ দেখুন · Akashvani Kolkata

এই পাড়াগুলো যে পুরোনো কলকাতা থেকে গড়ে উঠেছে, তার গল্প শুনতে চাইলে আমরা বলব, শুরু করুন হাফ প্যান্ট হিস্ট্রি দিয়ে।

তথ্যসূত্র (৮)
সদ্য এসেছেগল্পের চ্যানেলে নতুন কী এলসবে যা উঠেছে, বাজে চ্যানেলের নিজের ইউটিউবেই।

মুড কলকাতাকে ফলো করুন

এমন লেখা, নতুন গল্প আর গান এলেই খবর পাবেন।

  1. উৎসব

    দুর্গাপুজো (Durga Puja) ২০২৬: ভিড় এড়িয়ে ঠাকুর দেখা, সপ্তমী থেকে দশমী

  2. উৎসব

    পুজোর বাংলা সিনেমা ২০২৬: হলে কোন ছবি, হইচইতে নতুন কী

  3. উৎসব

    সিঁদুর খেলা আর বিজয়া দশমী ২০২৬: বরণ, খেলা, আর তার পরের সন্ধে

থামানো

হোম স্ক্রিনে MoodKolkata যোগ করুন

  1. ব্রাউজারের বারে শেয়ার-এ চাপুন (উপরে তীর-দেওয়া চৌকো চিহ্ন)।
  2. নীচে নেমে “Add to Home Screen”-এ চাপুন।
  3. “Add”-এ চাপুন। হোম স্ক্রিন থেকে MoodKolkata অ্যাপের মতোই খুলবে।